Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

সিটিজেন চার্টার


ক. নার্সারী চারা উত্তোলন, নার্সারী হইতে চারা সংগ্রহ, বাগান সৃজন ও পরিচর্যা বিষয়ে সর্বসাধারণের কারিগরী পরামর্শ আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাৎড়্গণিক প্রদান করা হয়ে থাকে।
খ. আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে যে কোন নার্সারী হইতে কার্যদিবসে সরকারি মূল্য নগদ পরিশোধের সাথে সাথে চারা সংগ্রহ করিতে পারিবেন। ব্যাগের চারা প্রতিটি ৫ টাকা, স্টাম্পের প্রতিটি চারা ১ টাকা।
গ. আগ্রহী ব্যক্তিকে আসবাবপত্র পরিবহন নীতিমালা ২০০২ অনুযায়ী আসবাবপত্র পরিবহনের জন্য বিভাগীয় দপ্তরে আবেদন করিতে হইবে। সংশিস্নষ্ট ব্যক্তিকে আবেদনের সহিত নীতিমালা মোতাবেক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করিতে হইবে। আবেদনপত্র বিভাগীয় দপ্তরে প্রাপ্তির পর আবেদন অত্র রেঞ্জ কার্যালয়ে সরেজমিনে তদনত্ম মতামতের জন্য বিভাগীয় দপ্তর হইতে প্রেরণ করা হয়। রেঞ্জ কর্মকর্তার সুপারিশের ভিত্তিতে নীতিমালা মোতাবেক বিভাগীয় দপ্তর হইতে আসবাবপত্র পরিবহনের অনুমতি প্রদান করা হয়।  
ঘ. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনজদ্রব্য চলাচল বিধিমালা ১৯৭৩ মোতাবেক আগ্রহী ব্যক্তিকে ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমি হইতে গাছ কর্তনের অনুমতির ব্যপারে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্রসহ নির্ধারিত ফরমে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দপ্তর হইতে প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন বিভাগীয় দপ্তরে প্রাপ্তির পর অত্র রেঞ্জ কার্যালয় হইতে  মার্কিং তালিকা ও প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। অত্র রেঞ্জ কার্যালয় হইতে প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন বিভাগীয় দপ্তরে প্রেরণের পর তাহা যাচাই বাছাই করত: আবেদনকারীর অনুকূলে বিভাগীয় দপ্তর হইতে ফ্রি পারমিট ইস্যু করা হয়। এ সকল প্রক্রিয়া দ্রম্নততার সাথে সম্পন্ন করার জন্য পদড়্গেপ নেয়া হয়।
ঙ. করাতকল (লাইসেন্স) বিধিমালা ১৯৯৮ মোতাবেক আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আবেদন ও রেকর্ডপত্রের ভিত্তিতে উপজেলা ও জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ণ কমিটির সুপারিশক্রমে বিভাগীয় দপ্তর হইতে করাতকল (লাইসেন্স) ফি বাবদ ২,০০০ টাকা এবং নবায়ন ফি বাবদ ৫০০ টাকা নেয়া হয়।
চ. আহরিত এবং জব্দকৃত বনজদ্রব্য অনুমোদিত শর্তাধীনে নিলাম বা দরপত্রের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে বিক্রয় করা হয়। আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সে মোতাবেক বনজদ্রব্য ক্রয় পূর্বক চলাচল পাশের মাধ্যমে বাজারজাত করিতে পারিবেন।
ছ. খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন রেঞ্জ হইতে জোত পারমিটের মাধ্যমে টিপি অনুবলে কাঠ পরিবহনের গাড়িসমূহ পরীড়্গা নিরীড়্গা শেষে পরিবহনের জন্য ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। বন অপরাধ নিরোধ কল্পে বিজিবিসহ যৌথ টহলের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে কাঠ আটকসহ বন মামলা দায়ের করা হয়।